Paragraph: Arsenic Pollution

Paragraph Writing

Arsenic Pollution

Arsenic pollution means arsenic contaminated water. Of late arsenic pollution has become one of the most health hazards in Bangladesh. By drinking arsenic water, people get the disease.

Arsenic is a fatal poison. It has been deposited in that layer of the soil from here our tube-wells pump out water. As a result in most areas of Bangladesh tube-well water in contaminated with arsenic. Arsenic pollution has made the scarcity of drinking water acute though our country is water-rich.

It is a hard nut to crack. Our ignorant people are drinking arsenic polluted water from tube wells and are human being affected by arsenicosis. Those who do not eat fish and vegetables are easily affected. Arsenic is such a poison that is damages all the vital organs ore after another resulting in the subsequent death othe sufferer. Arsenicosis has no remedy nor has it any antidote. Hence arsenic pollution demands utmost attention. An affecte d person should drink arsenic free water and take vitamins A,C,E to come round.

Arsenic polluted water has been termed as the killing water. There has been world wide awareness of this problem. Deep tube wells rainwater, reservoirs, surface water treatment, etc may be the pragmatic measures to minimize the problem to a great extent.

বঙ্গানুবাদঃ

অনুচ্ছেদ: আর্সেনিক দূষণ

আর্সেনিক দূষণ মানে আর্সেনিক দ্বারা দূষিত জল। বর্তমানে আর্সেনিক দূষণ বাংলাদেশের অন্যতম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। আর্সেনিক দ্বারা দূষিত জল খেলে মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়।

আর্সেনিক একটি মারাত্মক বিষ। আমাদের নলকূপগুলি মাটির যে স্তর থেকে জল পাম্প করে এটি সেই স্তরে জমা হয়ে থাকে। ফলস্বরূপ বাংলাদেশের বেশিরভাগ এলাকায় নলকূপের জল আর্সেনিক দ্বারা দূষিত। আমাদের দেশে পানি সহজলভ্য হলেও আর্সেনিক দূষণ পানীয় জলের ঘাটতিকে তীব্র করে তুলেছে।

এটি ফুটিয়েও দূর করা কঠিন। আমাদের অজ্ঞ লোকেরা নলকূপ থেকে আর্সেনিক দূষিত জল পান করছে এবং আর্সেনিকোসিস দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। যারা মাছ ও শাকসব্জি খান না তারা সহজেই আক্রান্ত হন। আর্সেনিক এমন একটি বিষ যা সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি সাধন করে ও নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। আর্সেনিকোসিসের কোনও প্রতিকার নেই বা এর কোনও প্রতিষেধকও নেই। সুতরাং আর্সেনিক দূষণের বিষয়ে বিশেষ সতর্ক হওয়া জরুরী। কোনও আক্রান্ত ব্যক্তির আর্সেনিক মুক্ত পানি পান করা উচিত এবং ভিটামিন এ, সি, ই সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।

আর্সেনিক দূষিত জলকে ‘খুনী জল’ হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে। এই সমস্যা সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা রয়েছে। গভির নলকূপ, বৃষ্টির পানী, জলাশয়গুলি, ভূ-পৃষ্ঠের জলের শুদ্ধিকরন ইত্যাদির বিকল্প পানির উৎসের ব্যবহার আর্সেনিক সমস্যা অনেকাংশে হ্রাস করতে পারে।

Leave a Reply